শোকজের চিঠিতে ধূপগুড়িতে দিশেহারা নেতা কর্মীরা

admin Jul 01, 2020 - Wednesday DHUPGURI 2.99K

TV22 ব্যুরোঃ "বিরোধীদের মুখে 'চোর' আখ্যা পেলেও তা হজম করা যায়। কিন্তু যখন নিজের দলের মাথারাই চোর-জোচ্চর বলে ডাকে তখন মাথা ঠিক থাকে কার?" চেয়ারে হেলান দিয়ে এই আক্ষেপই করছিলেন তৃণমূলের ধূপগুড়ির এক ডাকসাইটে নেতা৷ আর আক্ষেপ হবে না-ই বা কেন। শনিবার ধূপগুড়ির পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান রাজেশ কুমার সিংয়ের নামে শোকজের চিঠি আসার পর থেকে ধূপগুড়িতে দিশেহারা তৃণমূলের উঁচু থেকে নিচু তলার নেতা-কর্মীরা। বিরোধীরা 'শোকজ চিঠি'-কে যেমন হাতিয়ার করছে। তেমনি সোশাল সাইট থেকে শুরু করে হাটে-বাজারে সর্বত্রই শুরু হয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতা কর্মীদের নিয়ে ঠাট্টা মস্করা। কথায় কথায় ধূপগুড়ির এক তৃণমূল নেতা যেমন বলেই ফেললেন, "আরে এসব খবরে নিজের সংসারেও আগুন লেগে যায় দাদা। আমাদেরও তো ফ্যামিলি আছে। বাচ্চারা স্কুলে পড়ে। তাদেরও হাসি-ঠাট্টার শিকার হতে হয়।"




শনিবারের ওই শোকজ চিঠিকে কেন্দ্র করে ধূপগুড়িতে তৃণমূল এতটাই কোনঠাসা যে কার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাবে৷ আর কোথায় জানাবে। তা জানা নেই কারুর। দলের একাংশ চেয়েছিল বৃহস্পতিবার একটি সভা ডেকে দলের জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করবে। কিন্তু বিদ্রোহের আঁচ পেয়ে জলপাইগুড়ির অবজারভার অরূপ বিশ্বাস দ্রুত ধূপগুড়ি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যানকে ওই সভা স্থগিতের নির্দেশ দেন। দুর্নীতিতে অভিযুক্ত ধূপগুড়ি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান রাজেশ কুমার সিং বলেন, "আশা করছি জেলা নেতৃত্বকে নিয়ে অরূপ দা শীঘ্রই আলোচনায় বসবেন। এই মুহূর্তে চরম অপমানিত বোধ করছে সবাই।" ওই শোকজ চিঠিতে নাম থাকা পুরসভার বাকি চার কাউন্সিলর অরূপ দে, মুনমুন বোস, গৌতম বসাক ও বিপ্লব ঘোষের পাশে দাঁড়িয়েছেন ওয়ার্ডের নেতা কর্মীরা। রাজেশ বাবুর পাশেও ওয়ার্ডের নেতা কর্মীরা আছেন। দফায় দফায় সভাও হচ্ছে এলাকায়। কিন্তু তারপরও যেন ধূপগুড়িতে খেই হারিয়ে ফেলেছে দল।

আপনাদের মূল্যবান মতামত জানাতে কমেন্ট করুন ↴

সবার আগে খবর পেতে , পেইজে লাইক দিন

আপনার পছন্দ

বিজ্ঞাপন

আরও খবর

বিজ্ঞাপন